প্রকাশিত: জুন ২৩, ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রায় ৩০ হাজার মামলাজটের কারণে সারা দেশে শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এতে চট্টগ্রাম বোর্ড, মাদ্রাসা ও কাৃরিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
তিনি জানান, ২০১৭ সালের এক আইনি জটিলতায় ৩২ হাজার ৫০০ জনকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া থমকে আছে। তবে আগামী ২ জুলাই আপিল বিভাগে এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। তার প্রত্যাশা, ওই দিন কাঙ্ক্ষিত রায় পাওয়ার মধ্য দিয়ে এই শূন্য পদগুলো পূরণের জট খুলবে।
সভায় মন্ত্রী বলেন, ‘২০০৬ সালে আমরা নকলের কবর দিয়েছি। তবে এখন নকল ডিজিটাল রূপ নিয়েছে। তাই পরীক্ষাকেন্দ্রে অবশ্যই সিসি ক্যামেরা থাকতে হবে। যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে ডিজিটাল ভিজিল্যান্স।’
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এমপিওভুক্তির বিশাল ব্যাকলগ পূরণে আরও ৭৭ হাজার শিক্ষক প্রয়োজন।
শিক্ষাব্যবস্থায় অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থার জায়গায় জায়গায় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের গুপ্ত অনুসারীরা রয়েছে, যারা আমাদের শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগী হতে চাইছে না।’
জুলাই আন্দোলনে সবার অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রশাসনে কোনো ধরনের দুর্বলতা মেনে নেওয়া হবে না।’
শিক্ষা খাতের বাজেট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলে রূপপুর ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের বাজেট শিক্ষা খাতে ঢুকিয়ে ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ দেওয়া হয়েছিল। এবার শিক্ষায় ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট দেয়া হয়েছে। এই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’