প্রকাশিত: আগস্ট ৪, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম
শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে প্রাকৃতিক খাবারের মধ্যে শসা অন্যতম। সহজলভ্য ও কম ক্যালোরিযুক্ত এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পানি, আঁশ, ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শসা রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শসার প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি। ফলে এটি শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে এবং অতিরিক্ত গরমে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।

এছাড়া শসায় ক্যালোরি কম এবং আঁশ বেশি থাকায় এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর। দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দেয়, ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে।
শসার নিয়মিত কয়েকটি উপকারিতা হলো—
• শরীরকে হাইড্রেট রাখে এবং পানিশূন্যতা প্রতিরোধে সহায়তা করে।
• হজমশক্তি উন্নত করে ও কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমায়।
• ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
• রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক পটাশিয়ামের ভালো উৎস।
• অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কারণে শরীরের কোষ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে।
• ভিটামিন কে হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।
• ত্বককে সতেজ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।
পুষ্টিবিদরা জানান, শসা ভালোভাবে ধুয়ে সম্ভব হলে খোসাসহ খাওয়াই ভালো। কারণ খোসায় রয়েছে অতিরিক্ত আঁশ ও গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। সালাদ, স্যান্ডউইচ, রায়তা কিংবা স্বাস্থ্যকর নাস্তা হিসেবে এটি সহজেই খাদ্যতালিকায় যুক্ত করা যায়।
তবে যাদের কিডনি রোগ রয়েছে বা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পটাশিয়াম গ্রহণ সীমিত রাখতে হয়, তাদের নিয়মিত বেশি পরিমাণে শসা খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে প্রতিদিন একটি মাঝারি আকারের শসা খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সুষম খাদ্য গ্রহণ সুস্থ থাকার অন্যতম শর্ত।