প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সরকারের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও নতুন খসড়া প্রস্তাবনায় আবারও সরকারি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রাখা হয়েছে বলে মনে করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় এই মন্তব্য করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশন নিয়ে ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে যা বলা হয়েছিল তার অনেক কিছুই আইনের খসড়ায় পরিবর্তন করা হয়েছে।
“এই আইনে সুস্পষ্টভাবে এটি উল্লেখ থাকা উচিক যে এই কমিশন একটি স্বাধীন সংস্থা হবে এবং সরকারের কোনো বিভাগের বা মন্ত্রণালয়ের কর্তৃত্বাধীন থাকবে না। কিন্তু সরকারের এক বা একাধিক মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাখার কথাই বলা হয়েছে,” বলেন মি. ইফতেখারুজ্জামান।
তিনি বলেন, বর্তমানে যে খসড়া হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে কমিশন গঠন করা হলে অতীতে যেসব কারণে বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পায়নি সেসব শর্তাবলী পূরণ করতে আবারও ব্যর্থ হবে।
খসড়া আইনে বেশ কিছু সংশোধনীর প্রস্তাবও তুলে ধরেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।
অবশ্য কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা হিসেবে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং সাজাপ্রাপ্ত কেউ কমিশনার হিসেবে যুক্ত হতে পারবেন না এই ধরনের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হওয়া ইতিবাচক বলেও জানান তিনি।